প্রেম ও প্রতারনার অভিযোগে ইমামের স্বীকারোক্তি

স্পোর্টস ডেস্ক
৩১ জুলাই ২০১৯, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
Link Copied!

ইমাম উল হক পাকিস্তান ক্রিকেট দলের এক তরুন মুখ। সম্পর্কে সে পাকিস্তানের কিংবদন্তী খেলোয়াড় ইনজামাম উল হক এর ভাতিজা। অভিষেক হওয়ার পর থেকে একের পর এক সেঞ্চুরি করেই যাচ্ছে এই খেলোয়াড়। কিন্তু মাঠের ভিতরে ভাল খেলার পাশাপাশি মাঠের বাহিরে অর্থাৎ ব্যাক্তিজীবনে ও সে অনেক ভাল খেলোয়াড় সেটা প্রমান করেছে।

সম্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু ছবি সহ ইমামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে প্রেম ও প্রতারনার। একসাথে বেশ কয়েকজন নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্কের সত্যতা পাওয়া গেছে ইমামের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড(পিসিবি) সরাসরি তার সাথে কথা বলে এবং বিস্তারিত জানতে চায়। তখন ইমাম তার ভুল স্বীকার করে এবং ভিবিষ্যতে এমন কোন ভুল হবেনা সে অঙ্গিকার করে।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াসিম খান বলেছেনে “ইমামের কাছে তার দোষের কথা জানতে চাওয়া হলে সে বলে এ ভুলের জন্য সে অনেক লজ্জিত ও অনুতপ্ত। কোন এক ভুলবোঝাবুঝির কারনে ব্যাপারটি এমন বিশাল রুপ ধারণ করেছে। আগামীতে এমন কিছু হবেনা বলেছে সে। কিন্তু আমরা ইমামকে জানিয়ে দিয়েছি যদিও প্রেম বিষয় তার একান্ত ব্যাক্তিগত তারপরেও খেলোয়াড়দের নিয়ম নীতি ভঙ্গ হয় এমন কিছু যেন সে ভবিষ্যতে না করে”।

এখন পর্যন্ত ৩৬ টি একদিনের ম্যাচ খেলে ইমামের সংগ্রহ ১৬৯২ রান। এর মধ্যে আছে ৭টি সেঞ্চুরি ও ৬টি ফিফটি। চেহারা সুদর্শন হওয়ায় অনেক নারীর পছন্দের তালিকায় ইমামের নাম। তারই মধ্যে কয়েকজনের সাথে সে প্রেমের মিথ্যা অভিনয় করে এবং সবাইকে বলে যে তার অন্য কারো সাথে সম্পর্ক নেই। এভাবেই চলতে থাকে তাদের সাথে কথা, সোশ্যাল মিডিয়ায় চ্যাটিং, স্পর্শকাতর ছবি আদান-প্রদান ও অন্যান্য সবই। কিছুদিন আগে টুইটারে একজন ইমামের সাথে চ্যাটিং এর একটি স্ক্রিনশট দিয়ে টুইট করে যে ইমাম তার সাথে প্রতারনা করছে। এরপরই বের হয়ে আসে আরো কিছু তথ্য যেখানে পরিষ্কার বোঝা যায় যে প্রায় ৭-৮ জনের সাথে ইমামের এমন সম্পর্ক ছিল যেটা সে পরে স্বীকার করেছে।

ইমামের সমর্থনকারীরা বলছে এখানে শুধু ইমামের দোষ দেখলে চলবেনা অপরপক্ষের ও কিছু স্ক্রিনশট দেয়া হোক। এখানে যৌন হয়রানীর অভিযোগ আনা একদম অন্যায়। যখন দুই পক্ষের সম্মতিতে কোন কিছু হয় তখন সেখানে যেকোন একপক্ষকে দোষী করা অন্যায়। যারা এখানে অভিযোগ করেছে তাদেরকে কি ইমাম কোন ভাবে জোরপুর্বক কিছু করতে বাধ্য করেছে? যদি না করে থাকে তাহলে কেন সে দোষী হবে।

 তবে ইমাম যে দোষী সেটা তার স্বীকারোক্তিতেই পরিষ্কার হয়েছে। পিসিবি ও তাকে ক্ষমা করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দিয়েছে। পিসিবি চায় কোন ক্রিকেটার যেন নিয়ম বহির্ভুত কিছু না করে।